মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১০ এপ্রিল ২০১৯

প্রেসবিজ্ঞপ্তিঃ আজ (১০, এপ্রিল,২০১৯) দুর্নীতি দমন কমিশনের উদ্যোগে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিস-এর ২৭ সদস্যের একটি চৌকস দল অগ্নি নির্বাপক মহড়া পরিচালনা করেছে।


প্রকাশন তারিখ : 2019-04-10
 
আজ (১০, এপ্রিল,২০১৯) দুর্নীতি দমন কমিশনের উদ্যোগে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিস-এর ২৭ সদস্যের একটি চৌকস দল অগ্নি নির্বাপক মহড়া পরিচালনা করে।
 
সকাল সাড়ে দশটায় কশিনের প্রধান কার্যালয়ে সতর্ক ঘণ্টা বাজনো হলে কমিশনের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে প্রধান কার্যালয়ের সামনের সড়কে নিরাপদ জোনে আশ্রয় নেন। এসময় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ফগিং মেশিনের মাধ্যমে ব্যপক কৃত্রিম ধোঁয়া সৃষ্টি করেন। এসময় কমিশনের সামনের সড়কে উৎস্যুক মানুষের ভিড় পরিলক্ষিত হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কীভাবে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সে বিষয়ে কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাতে-নাতে শিখিয়ে দেন। এছাড়া অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র না থাকলে অথবা বিকল অথবা অপারেট করতে না জানলে কীভাবে বালু , ভেজা চট, ভেজা কম্বল অথবা কাঁথা ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা যায় সে কৌশলও শেখানো হয়। এসময় তারা জানান অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটলে কোনো অবস্থাতেই লিফট ব্যবহার করা যাবে না, সিঁড়ি বেয়ে নামতে হবে, বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের লাইন বন্ধ করতে হবে। এই মহড়ায় ফায়ার সার্ভিস দলটি ব্রোনটো কার, ফোর হুইল ওয়াটার সাপ্লাইয়ার ভেহিক্যাল, কমান্ড ভেহিক্যাল, এ্যাম্বুল্যান্সসহ অগিননির্বাপক কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন।
 
 
দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ নিজে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের সামনের সড়কের নিরাপদ জোনে দাাঁড়িয়ে ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এসময় তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের নিরাপদ কর্মপরিবেশ বিনির্মাণে আগুনসহ সকল প্রকার নিরাপত্তা ঝুঁকিমুক্ত করার জন্য বহুমাত্রিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জানান, ২০১৮ সাল পর্যন্ত কমিশনে একটি মাত্র নির্গমন গেইট বা দরজা ছিল, ২০১৮সালেই কমিশন একটি জরুরি নিগর্মণ গেট বা দরজা নির্মাণ করেছে। একই বছরে কমিশনের দুইটি ভবনের মাঝে উড়াল সংযোগ সেতু স্থাপন করা হয়েছে। অর্থাৎ বর্তমানে কমিশনের তিনটি নির্গমন পথ রয়েছে। কমিশন ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র স্থাপন করা হেেয়ছে। কমিশনের সকল পুরাতন কাগজ-পত্র নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। কমিশনের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ গেট নির্মাণ করা হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সিসিটিভিসহ বিভিন্ন প্রকার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে ।
 
অসচেতনতা, ভবন নির্মাণে আইন না মানা, নিরাপত্তামূলক বিধি-বিধান পরিপালন না করা, এসকল বিধি-বিধান নিশ্চিতকরণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থসমূহের উদাসীনতা, অদক্ষতা ও দুর্নীতি এবং কিছু মানুষের দ্রুত বিত্তশালী হওয়ার মানসিকতার কারণেই বনানীর এফআর টাওয়ার কিংবা চুরিহাট্টার মতো মর্মস্পর্শী ঘটনা ঘটছে বলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন।
 
এসব বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থাসমূহের উদ্দেশ্যে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আইন অনুসারে দায়িত্ব পালন করুন। কমিশন এফআর টাওয়ার নিয়ে অনুসন্ধান করছে জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, সত্য উদঘাটন করা হবে, দায়-দায়িত্ব নিরূপণ করা হবে। কেউ অপরাধ করে থাকলে আইন-আমলে আনা হবে।
 
 
 

Share with :

Facebook Facebook