মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা

.

Share/Save

কমিশনের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা

কমিশনের মানব ও আর্থিক সম্পদ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনার জন্য প্রশাসন, সংস্থাপন এবং অর্থ শাখা রয়েছে। শাখাটি দুই ভাগে বিভক্ত। এগুলো হল: প্রশাসন ও সংস্থাপন এবং অর্থ ও হিসাব। প্রশাসন ও সংস্থাপন শাখা নিম্নোক্ত
বিষয়গুলো দেখাশোনা করে:

১। কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ, পদোনড়বতি, পদায়ন, ডেপুটেশন, ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা;
২। আইন অনুযায়ী দুদক কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং তাদের চাকুরির অবস্থা ও অন্যান্য বিষয় খেয়াল রাখা;
৩। বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য কর্মকর্তা/কর্মচারী মনোনয়ন প্রস্তাব পেশ;
৪। কমিশনের বৈঠকের প্রাক্কালে কমিশনের সচিবকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান;
৫। অধীন কার্যালয়সমূহ বছরে কমপক্ষে দু’বার পরিদর্শন করা এবং কমিশন সচিবের নিকট পরিদর্শন প্রতিবেদন পেশ;
৬। কমিশনের সার্বিক নিরাপত্তা তত্ত্বাবধান করা, গুদাম, আসবাবপত্র ও অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ;
৭। কমিশনের সকল শাখার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সরবরাহ করা।

দুদক আইন ২০০৪ অনুযায়ী দক্ষতার সাথে কাজ পরিচালনার জন্য কমিশন প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মী নিয়োগের ক্ষমতাপ্রাপ্ত (ধারা ১৬(৩))। আইনে আরো উল্লেখ আছে যে, সচিব ও অন্যান্য কর্মীর নিয়োগ ও শর্ত আইন দ্বারা এবং এ ধরনের আইন প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক আদেশ দ্বারা নির্ধারিত হবে - যাতে সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন হবে {ধারা ১৬(৪)}। কর্মীদের নিয়োগ ও শর্ত নির্ধারণ করতে সংবিধিবদ্ধ ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে কমিশন দুর্নীতি দমন কমিশন (কর্মচারী) নিয়োগ বিধি, ২০০৮ ঘোষণা করে। বিধিতে দুদকের শূন্য পদসমূহ পূরণে চারটি পদ্ধতির উল্লেখ রয়েছে। পদ্ধতিগুলো হলো: সরাসরি নিয়োগ, পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ, ডেপুটেশনে বদলির মাধ্যমে নিয়োগ এবং চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। বিধি ৪ মোতাবেক সরাসরি নিয়োগ বা পদোনড়বতির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যাপারে পরামর্শ প্রদানে কমিশনকে একটি নিয়োগ ও পদোন্নতি কমিটি গঠন করতে হবে।

২০১২ সালে কমিশন ২০০৮ সালের চাকুরি বিধির তফশিল-১, ক্রমিক নং-১২ এবং কলাম ৪-এ একটি সংশোধন আনে। এতে উপ-সহকারী পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে ‘৬০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ ও ৪০ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ’ অনুপাত সংশোধন করে ‘৫০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ ও ৫০ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ’ এর বিধান করা হয়।