দুর্নীতি দমন কমিশন পরিচিতি

.

Share/Save

দুর্নীতি দমন কমিশন পরিচিতি

দুর্নীতি দমন কমিশন রাষ্ট্রের একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও সংবিধিবদ্ধ দুর্নীতি প্রতিরোধক ও দুর্নীতি শনাক্তকারী সংস্থা। এটি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর অধীনে পরিচালিত হয়। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ সালে জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশনে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে এটি আরও গতিশীলতা পেয়েছে।

কমিশনের দায়িত্ব:

  • তফসিলভুক্ত অপরাধ ও দুর্নীতির যেকোনো অভিযোগ পেলে নিজ উদ্যোগে, বা কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি অথবা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির আনীত কোন দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে অনুসন্ধান ও তদন্ত অনুষ্ঠান;
  • অনুসন্ধান ও তদন্তের উপর ভিত্তি করে মামলা দায়ের ও পরিচালনা;
  • দুর্নীতি প্রতিরোধের নিমিত্তে সততা ও নৈতিকতার মূল্যবোধের প্রসার ঘটানো এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা; এবং
  • বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিদ্যমান বিভিনড়ব ধরনের দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করা এবং যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য যেকোন সুপারিশ তুলে ধরা।

অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনায় কমিশনের ক্ষমতা:

  • সাক্ষী তলব, তাদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ;
  • যেকোন নথি খুঁজে বের করা ও উপস্থাপন করা;
  • সাক্ষ্য গ্রহণ;
  • যেকোনো আদালতের দপ্তর থেকে সরকারি নথি বা এর সত্যায়িত অনুলিপি তলব;
  • সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ ইস্যু এবং নথিপত্র যাচাই এবং
  • এই আইনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হৃদয়ঙ্গম ও পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় অন্য যেকোন বিষয়।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ধারা ১৯ এর উপধারা ৩ অনুযায়ী, “কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দ-নীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদন্ডে বা অর্থদন্ডে বা উভয় প্রকার  দন্ডনীয় হইবেন।”